শিরোনাম :
‘ভূঞাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি’র নতুন কমিটি আত্মপ্রকাশ! ভূঞাপুরে মালা হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ভূঞাপুরে ৮৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক! ভূঞাপুরে মর্মান্তিক মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩ ভূঞাপুরে উপ-প্রকৌশলী মিরাজুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ভূঞাপুরে ঐতিহ্যবাহী বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত “যখন ইচ্ছে তখন অফিসে আসবো”-ভূঞাপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের উন্মুক্ত তালিকা করলেন চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব ভূঞাপুরে মতিন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ভূঞাপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বনিক সমিতির মিলাদ-দোয়া ও কাঙ্গালীভোজ!

কিশোরীকে তুলে নেওয়ার প্রতিবাদ করে প্রাণ গেল অটোরিকশাচালকের

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১
  • ২৫২ দেখেছেন

কুমিল্লার মুরাদনগরে কিশোরীকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় বখাটেদের ছুরিকাঘাতের দুই দিন পর আবদুল জলিল নামের এক আহত অটোরিকশাচালক মারা গেছেন। আজ শনিবার ভোর পাঁচটার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। তিনি উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের কুলুবাড়ি গ্রামের প্রয়াত সাজেদ আলীর ছেলে।

মৃত্যুর আগে আবদুল জলিল পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁকে ছুরিকাঘাতের বর্ণনা দিয়ে যান। এ ঘটনায় জলিলের সহধর্মিণী শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে আজ সন্ধ্যা ছয়টায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে হত্যা মামলা করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তিনজন যাত্রী নিয়ে উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামে যান চালক জলিল। পরে ওই যাত্রীরা ওই গ্রাম থেকে এক কিশোরীকে তুলে আনার প্রস্তাব করলে জলিল রাজি হননি। তিনি এ কাজে ওই যাত্রীদের বাধা দেন। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে যাত্রীবেশী বখাটেরা কোমর থেকে ছুরি বের করে আবদুল জলিলের পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় পেট চেপে ধরে জলিল দৌড়ে গিয়ে পাশের এক বাড়িতে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিত্কার দেন। বখাটেরা পালিয়ে যায়। বাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে এসে তাঁকে প্রথমে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আজ ভোর পাঁচটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল জলিল হাসপাতালে মারা যান। দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তাঁর লাশ বাড়িতে আনা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। পরিবার একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তিকে আচমকা এভাবে হারিয়ে পাগলপ্রায় স্ত্রী শাহনাজ বেগম ও তাঁর মেয়ে জান্নাত আক্তার। লাশ দাফনের পর সন্ধ্যায় থানায় মামলা হয়।

শাহনাজ বেগম বলেন, তাঁর স্বামী জলিল মিশুক ছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় ছিলেন সোচ্চার। তিনি স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদেকুর রহমান বলেন, ‘নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মৃত্যুর আগে পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি ছুরিকাঘাতের বর্ণনা দিয়ে যান। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। একই সঙ্গে বখাটেদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি