শিরোনাম :
‘জাতীয় দলের খেলোয়াড় রফিক’কে সংবর্ধনা প্রদান এলাকাবাসীর Ac Land Alaul Islam was replaced with praise and love ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈরের বৌলগ্রামে ট্রাকের চাপায় দুই নারী নিহত সাতক্ষীরা ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি ও সি বি আই দ্বারা ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী র হেনস্তা র বিরুদ্ধে রাস্তায় নেতৃত্ব।। ভূঞাপুরে আ.লীগ নেতার নগদ অর্থদণ্ড! ভূঞাপুরে এক ভন্ড কবিরাজকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা! ভূঞাপুরে ৩১’শ পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণের শুভ উদ্বোধন! ভূঞাপুরে জমিও গৃহ প্রদান বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং! উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির অভিযোগ এমপি’র বিরুদ্ধে!

গোপালপুরে টাকার জন্য সন্তান বিক্রি

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকায় ৩মাস বয়সী নিজের ছেলে সন্তান বিক্রি করার অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে খবর পেয়েই স্থানীয় প্রশাসন এক অভিযান চালিয়ে মধ্যরাতে শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের দঃ পাড়ার দিন মজুর শাহআলম ও রাবেয়া দম্পতির তিন পুত্র সন্তান। রাবেয়া বলেন, দিন মজুর স্বামী শাহআলমের কামাই রোজগারে পাঁচজনের সংসার চলেনা।

করোনায় কয়েকমাস ধরে শাহআলম বেকার। সংসারে বেশ কিছু ঋণ রয়েছে। পাওনাদারেরা প্রতিদিনই সেজন্য তাগাদা দিচ্ছিলো। এরই মধ্যে স্বামী শাহআলম গাজায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় পাওনা টাকা পরিশোধ এবং সংসারের অনটনের দরুন তিন মাস বয়সী আলহাজকে বাইশকাইল গৈজারপাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া ও স্বপ্না দম্পতির নিকট গত ১৭ দিন আগে পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, সবুজ ও স্বপ্না দম্পতিও নিঃসন্তান। তারা শাহআলম-রাবেয়া দম্পতির অনটনের সুযোগ নিয়ে টাকার বিনিময়ে শিশুটি কিনে নেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে দত্তক নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা সেটি করেনি। এমতাবস্থায় প্রশাসন সবুজ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু আলহাজকে উদ্ধার করে মা রাবেয়া বগমের কোল পৌঁছে দেয়। কেউ আগ্রহ প্রকাশ না করায় এবং মানবিক দিক বিবেচনায় থানায় কোন মামলা নেয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, ঘটনাটির নেপথ্যে রয়েছে দারিদ্রতা। পরিবারটিকে সার্বিকভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রাবেয়া বেগমকে পৌর শহরে নুরুল ইসলাম নুরুর আলিফ ক্লিনিকে আয়া পদে চাকরির ব্যবস্থা করাসহ নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। এধরণের সাহায্য অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, ওই শিশুর যাবতীয় ভরনপোষণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবে জেলা প্রশাসন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি