শিরোনাম :
ভূঞাপুরে ঐতিহ্যবাহী বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত “যখন ইচ্ছে তখন অফিসে আসবো”-ভূঞাপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের উন্মুক্ত তালিকা করলেন চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব ভূঞাপুরে মতিন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ভূঞাপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বনিক সমিতির মিলাদ-দোয়া ও কাঙ্গালীভোজ! ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড় রফিক’কে সংবর্ধনা প্রদান এলাকাবাসীর Ac Land Alaul Islam was replaced with praise and love ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈরের বৌলগ্রামে ট্রাকের চাপায় দুই নারী নিহত সাতক্ষীরা ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি ও সি বি আই দ্বারা ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী র হেনস্তা র বিরুদ্ধে রাস্তায় নেতৃত্ব।।

“যখন ইচ্ছে তখন অফিসে আসবো”-ভূঞাপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১৪ দেখেছেন

“যখন ইচ্ছে তখন অফিসে আসবো” তাতে আপনাদের কি?-ভূঞাপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কাজী হামিদুল হক।

হাদী চকদার, প্রতিবেদক যমুনা নিউজ ২৪ঃ

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গত সপ্তাহ থেকে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অফিস চলার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দ্বিতীয় সপ্তাহেই নিদিষ্ট সময়ের পরেও অফিস খোলা থাকলেও পাওয়া যায়নি উপজেলার বেশিরভাগ সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের

গত (১ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ গিয়ে বেশকিছু অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়।  এছাড়াও বেশিরভাগ অফিসে পিয়নরা অফিস খুললেও দেখা মেলেনি বড় কর্মকর্তাদের। এতে সরকারি সেবা পেতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে জনসাধারণের।

৯টার পর অফিসে যাচ্ছেন এক কর্মকর্তা। ছবিঃ যমুনা নিউজ ২৪

৯টার পর অফিসে যাচ্ছেন এক কর্মকর্তা। ছবিঃ যমুনা নিউজ ২৪

পরে অনুপস্থিত থাকা কর্মকর্তাদের পিয়নের নিকট থেকে জানা যায় কেউ টাঙ্গাইল জেলা অফিস, কেউ রাস্তায়, আবার কেউ নাকি অফিসে এসে বাহিরে চা খেতে গেছেন।

তবে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে ঘুরে দেখতে পায়, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, মৎস কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, সমবায় কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের এসএএস সুপার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তা, কমিউনিটি অর্গানাইজার সহকেউই যথা সময়ে উপস্থিত হতে পারে নি।  কর্মকর্তাদের কেউ সকাল সাড়ে ৮টায়, কেউ ৯টা বা তারও পরে মনগড়া ভাবে অফিসে উপস্থিত হন।

সকাল সাড়ে ৮টার পর অফিসে এসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মির্জা মনিরুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন আগেই আসি, আজকেও এসেছি, তারপর ১টি কাজে বাহিরে গিয়েছিলাম।

সাড়ে ৮টার পর অফিসে এসে মাত্র বসলেন মশিউর রহমান

সাড়ে ৮টার পর অফিসে এসে এলজিইডির কমিউনিটি অর্গানাইজার মশিউর রহমান বলেন, দেরিতে আসার কারণ আপনাকে বলবো কেন? প্রধানমন্ত্রী কি আপনাদের এই দ্বায়িত্ব দিয়েছেন!

সিরাজগঞ্জ থেকে প্রতিদিনই দেরিতে আসেন- হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা।

৯টায় অফিসে এসে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মহসিন রেজা বলেন, প্রতিদিন বাড়ি (সিরাজগঞ্জ) থেকে এসে অফিস করি। এতে গাড়িতে আসতে বিলম্ব হয়। কিছু করার নাই।

সকাল ৮টা ৪৫মিনিটের পর অফিসে এসে খাদ্য কর্মকর্তা  কাজী হামিদুল হক বলেন, আমার ইচ্ছেমত সময়ে অফিসে আসবো-যাবো। তাতে আপনাদের কি?  আমি এবিষয়ে কোন বক্তব্য দিবনা। আপনাদের যা ইচ্ছে লিখেন! তাতে আমার কি?

ফ্যান চলছে, লাইট জলছে অথচ নেই সমাজসেবা কর্মকর্তা

৮টা ৪৫মিনিটের পর অফিসে আসলেও সমাজসেবা কর্মকর্তা কোন কথা বলতে রাজি হননি।

এছাড়াও অনুপস্থিত সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা ইশরাত জাহান। ছবিঃ যমুনা নিউজ ২৪

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ইশরাত জাহান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৮টা থেকে ৩টা পর্যন্ত নিয়মিতই অফিসের কার্যক্রম চলছে। তবে কেউ এই আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ইউএনও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যথা সময়ে নিজ অফিসে উপস্থিত ছিলেন।

 

যমুনা নিউজ ২৪

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি